Menu

Press Release 2017

thumbnail বেঙ্গল ফাউন্ডেশন আয়োজিত ও স্কয়ার নিবেদিত

বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসব ২০১৭

সহযোগিতায় ব্র্যাক ব্যাংক
উৎসর্গ: ড. আনিসুজ্জামান

সংবাদ সম্মেলন
রোববার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৭
ওয়েস্টিন হোটেল, ঢাকা


ষষ্ঠ বর্ষ

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধু
আমাদের শুভেচ্ছা নিন। আপনি জেনে আনন্দিত হবেন যে, আগামী ২৬ থেকে ৩০ ডিসেম্বর ২০১৭ বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ধানমন্ডি আবাহনী মাঠে পাঁচ দিনব্যাপী বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসবের ষষ্ঠ অধিবেশন আয়োজিত হচ্ছে। এ-বছর উৎসব উৎসর্গ করা হয়েছে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. আনিসুজ্জামানকে।

আপনারা জানেন আয়োজনের ব্যাপ্তি, বাংলাদেশের এবং ভারতের প্রথম সারির উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিল্পীর অংশগ্রহণে এবং দর্শকসংখ্যা বিচারে এই উৎসব পৃথিবীর সবচেয়ে বড় উচ্চাঙ্গসংগীত আসর হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে। এতে সারা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়েছে।

এ-বছর উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসবের সব আয়োজন চূড়ান্ত হওয়ার পর অন্তিম পর্যায়ে স্থান-বরাদ্দ নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। পাঁচ বছর ধারাবাহিক পথচলার মধ্য দিয়ে উৎসবটি দেশের মানুষের কাছ থেকে যে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার্ঘ্য লাভ করেছে তা আমাদের প্রয়াসে যুক্ত করেছে এক নতুন মাত্রা। সারারাতের এই উৎসব পর্যায়ক্রমে যে-গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছে তা সাংবাদিক বন্ধুদের সক্রিয় সমর্থন ছাড়া কখনই সম্ভব হতো না বলে আমাদের বিশ্বাস। এছাড়া বিদেশি শিল্পীদের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ এই উৎসবকে আন্তর্জাতিকভাবে এক অনন্য মর্যাদা দান করেছে। তাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উপযুক্ত স্থান বরাদ্দ না পাওয়ায় এবং উৎসবের সুনাম অক্ষুণœ রাখতে আমরা অনন্যোপায় হয়ে গত ২২ অক্টোবর এক সংবাদ সম্মেলন আহ্বান করে উৎসবের পরিকল্পনা আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল ঘোষণা করি। উৎসবের পক্ষে এর পরপরই সামাজিক মাধ্যমে, পত্রিকায়, টেলিভিশনে, ঢাকায় ও ঢাকার বাইরে জনসমর্থনের যে জোয়ার বয়ে যায় তা নিষ্ঠায় ও ভালোবাসায় প্রেরণাসঞ্চারী হয়ে ওঠে এবং ওই শক্তিতে বলীয়ান হয়েই উৎসবের জন্য বিকল্প স্থানের খোঁজ আমরা অব্যাহত রাখি। অবশেষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সানুগ্রহ বিবেচনা, মাননীয় সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী ও মাননীয় অর্থমন্ত্রী মহোদয়ের একনিষ্ঠ উদ্যোগ এবং শুভার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসবের ষষ্ঠ অধিবেশনের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট স্থান বরাদ্দ পাওয়া সম্ভব হয়েছে।
thumbnail Abul Khair, Chairman, Bengal Foundation.

রাজধানীর সম্ভ্রান্ত আবাসিক এলাকা ধানমন্ডির ঐতিহ্যবাহী আবাহনী ক্রীড়া চক্রের মাঠে এ-বছর উৎসব আয়োজন করতে পেরে আমরা গৌরববোধ করছি। এই জ্ঞানোদ্দীপ্ত পারিপার্শ্বে উৎসব আয়োজিত হলে গ্রহণযোগ্যতা ও মর্যাদার বিচারে তা এক নতুন উচ্চতা লাভ করবে বলে আমাদের বিশ্বাস। ধানমন্ডি আবাহনী মাঠ এই উৎসবের জন্য বরাদ্দ করে আবাহনী কর্তৃপক্ষ আমাদের কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ করেছে। এই বিশেষ বিবেচনার জন্য আবাহনী লিমিটেডের সভাপতি, পরিচালক এবং সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

ফিরে পাওয়া

গত ২২ অক্টোবরের সংবাদ সম্মেলনে আমরা যে বক্তব্য উপস্থাপন করেছিলাম তার পরিপ্রেক্ষিতে আপনাদের জানানো প্রয়োজন যে বিকল্প স্থান অর্থাৎ আবাহনী মাঠের বরাদ্দপত্র আমরা হাতে পাই ১৪ নভেম্বর। আমরা সবাই জানি, এই উপমহাদেশে শীতকালই গানবাজনার উপযুক্ত মৌসুম এবং পেশাদার শিল্পীরা এই সময় ভীষণ ব্যস্ত থাকেন। নভেম্বরের মাঝামাঝি মাঠ বরাদ্দ পাওয়ার পর এমনটি ধারণা ছিল যে বিদেশি শিল্পী, বিশেষ করে শীর্ষস্থানীয় যে কজন রয়েছেন, তাঁদের পাওয়া সম্ভব হবে না। কিন্তু পরম সৌভাগ্যের বিষয় যে মূল পরিকল্পনার সব বিদেশি শিল্পীই অন্তিম মুহূর্তের ডাকে সাড়া দিয়ে ঢাকায় আসতে রাজি হয়েছেন। এই মহানুভবতার জন্য বিদেশি এবং দেশের শিল্পীদের কাছে আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। এর জন্য হয়তো বিশেষ ধন্যবাদার্হ বাংলাদেশের সংগীতপ্রেমী একাগ্র শ্রোতা। অনুষ্ঠানের স্বাতন্ত্র্য ও পরিবেশনার মানও এই উৎসবকে শিল্পীদের কাছে অপরিহার্য করে তুলেছে। আস্থা ও বিশ্বস্ততার এই সূত্র স্থাপন করা সহজসাধ্য ছিল না। বহুদিনের চর্চার ফলেই তা সম্ভব হয়েছে। এ-নিয়ে দেশ ও জাতি কিঞ্চিৎ গর্ববোধ করতে পারে।

thumbnail From left to right: Luva Nahid Choudhury, Director General, Bengal Foundation; Abul Khair, Chairman, Bengal Foundation; Anjan Chowdhury, MD and CEO, Square Toiletries Ltd and Maasranga TV; Zara Mahbub, Head of Communication, BRAC Bank.

উৎসবের পরিধি সংকুচিত না করে, মূল পরিকল্পনা খর্ব না করে বা মূল শিল্পী পরিবর্তন না করেই বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসব ষষ্ঠবারের মতো আয়োজিত হচ্ছে। আক্ষরিক অর্থেই খুব অল্প সময়ে সমস্ত কাজ সারতে হয়েছে। চূড়ান্ত পর্যায়ে বিকল্প ভেন্যু খুঁজে পরিবর্তিত অবয়বে স্থাপনাগুলোর নতুন বিন্যাস ও পরিকল্পনা করতে হয়েছে। এদিকে নিরাপত্তার বিষয়ে যেমন আরো বেশি সতর্কতা ও নজরদারি অবলম্বন করতে হয়েছে, তেমনিভাবে সযতœ দৃষ্টি দিতে হয়েছে যেন উচ্চাঙ্গসংগীত উপভোগ করার জন্য অনুকূল একটি শোভন ও আনন্দঘন আবহ কোনোভাবেই বিঘিœত না হয়।
thumbnail Luva Nahid Choudhury, Director General, Bengal Foundation.

গত ৪ ডিসেম্বর মাননীয় সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রীর আহ্বানে ও মাননীয় অর্থমন্ত্রী মহোদয়ের সভাপতিত্বে এক আন্তমন্ত্রণালয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থাসমূহ, পুলিশ, সিটি করপোরেশন ও সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে উৎসবে আগত দর্শক-শ্রোতা-শিল্পী ও ভেন্যু নিরাপত্তা এবং যানজট নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে আলোচনা হয়। আবাসিক এলাকায় রাতব্যাপী সংগীতানুষ্ঠানের শব্দ-সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণকল্পে ইভেন্ট ব্যবস্থাপনা সংস্থা ব্লুজ কমিউনিকেশনসের পক্ষ থেকে আবাহনী মাঠে বিশেষ সফটওয়্যার প্রয়োগ করে শব্দ-সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের ব্যবহারিক দৃষ্টান্ত আবাহনী ও সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষকে প্রদর্শন করা হয় এবং তাঁরা এই ব্যবস্থায় সন্তোষ প্রকাশ করেন।

উৎসগ

এমেরিটাস প্রফেসর আনিসুজ্জামান বাংলাদেশের শীর্ষ গবেষক, চিন্তাবিদ ও সংস্কৃতিতাত্ত্বিক। বিগত শতাব্দীর পঞ্চাশের দশকেই তাঁর গবেষণা বাঙালি মুসলমানের মানসযাত্রা প্রসঙ্গ বাংলাদেশের সারস্বত সমাজ ও গবেষকদের মধ্যে নব্যচিন্তার বীজ বপন করেছিল।
বায়ান্নর ভাষা-আন্দোলন থেকে অদ্যাবধি সমাজজীবনের অসংগতি ও সংকটমোচনের জন্য বাঙালি যে সংগ্রাম করে চলছে তাতে আনিসুজ্জামানের অংশগ্রহণ ও সংকটকালে নেতৃত্বের দায় বহন তাঁকে করে তুলেছে দেশের বিবেকবান এক অগ্রণী ব্যক্তিত্ব।
thumbnail Zara Mahbub, Head of Communication, BRAC Bank.

সমাজকল্যাণ, গণতান্ত্রিক প্রগতিশীল চেতনা, সুশীল বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা ও মনীষার ঔজ্জ্বল্যে তিনি বাঙালির দৈনন্দিন জীবনে যে প্রাণসঞ্চার করেন তা আমাদের জীবনসাধনা, বিরতিহীন সংগ্রাম ও সংস্কৃতিচর্চায় নবীন চেতনায় উদ্দীপিত করছে। জাতি গণতান্ত্রিক ও শোষণমুক্ত সমাজের যে স্বপ্ন লালন করে, আনিসুজ্জামান এ স্বপ্ন বাস্তবায়ন-প্রয়াসেও দীপিত করেন সমকালের বাঙালিকে; নিজেও সর্বদা যুক্ত থাকেন এর বহুমুখিন কর্মপ্রবাহে।

আনিসুজ্জামানের অন্যতম কীর্তি মধ্যযুগের মুসলিম মানস ও বাংলা গদ্য নিয়ে উজ্জ্বল গবেষণা। বাঙালির সামাজিক ইতিহাসে এই গবেষণা এক মাইলফলক। শিক্ষার্থীদের তিনি নানা বিষয়ে গবেষণায় উদ্বুদ্ধ এবং তাঁদের হৃদয় ও মনে সঞ্চার করেন জিজ্ঞাসা।

সাহিত্যসমাজ ও রবীন্দ্রনাথ নিয়ে প্রবন্ধগুচ্ছ ও তাঁর রচিত বিভিন্ন গ্রন্থ ও স্মৃতিকথায় যে ভাবনার প্রকাশ আছে তাতে আনিসুজ্জামানের গভীর জ্ঞান, পঠন-পাঠনের ব্যাপ্তি, অনুসন্ধিৎসা ও বিদ্যাবত্তার বিচ্ছুরণ আমাদের জীবনচেতনাকে সমৃদ্ধ করে। এই অশীতিপর বয়সেও বাঙালি সংস্কৃতির সংকট, স্বরূপচেতনা ও সাধনা নিয়ে তাঁর যে সৃজনশীল বহুভাবনা তা এই কীর্তিমান মানুষটিকে করে তুলছে দেশের বিবেকবান এক চিন্তাবিদ। তাঁর এই অসামান্য অবদান ও নিত্যদিনের কর্মপ্রবাহ আমাদের সকলকে বৃহত্তর সংস্কৃতিচেতনায় সর্বদা উদ্বুদ্ধ ও প্রেরণা সঞ্চার করছে। আমরা তাঁর সকল সৃজন ও কৃতিতে স্পন্দিত ও আলোড়িত।

বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীতের ষষ্ঠ অধিবেশন উৎসর্গ করা হলো এই কীর্তিমান চিন্তাবিদ, গবেষক ও সংস্কৃতিতাত্ত্বিককে।

thumbnail Luva Nahid Choudhury, Director General, Bengal Foundation.

বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসব ২০১৭ কার্যক্রম

ষষ্ঠ বর্ষে বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসবের পরিসর আরো বড় করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। শুধু উপমহাদেশের শাস্ত্রীয়সংগীত নয়, এর সঙ্গে যুক্ত করা হয় ওয়েস্টার্ন ক্লাসিক্যাল। উৎসবের প্রথম দিন মঙ্গলবার ২৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় কাজাখস্থান থেকে আসা ৫৮সদস্যের আস্তানা সিম্ফনি ফিলহারমনিক অর্কেস্ট্রার (অংঃধহধ ঝুসঢ়যড়হু চযরষযধৎসড়হরপ ঙৎপযবংঃৎধ) সঙ্গে গ্র্যামি-মনোনীত প্রখ্যাত বেহালা-শিল্পী পদ্মভূষণ ড. এল সুব্রহ্মণ্যনের যুগল-বাদন পরিবেশিত হবে। পাঁচদিনব্যাপী উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসবে যোগ দিতে ঢাকায় আসছেন মেওয়াতি ঘরানার প্রবাদপ্রতিম শিল্পী পদ্মবিভূষণ পণ্ডিত যশরাজ (খেয়াল), ১৯৯৩ সালে গ্র্যামিবিজয়ী পণ্ডিত বিশ্বমোহন ভট্ট (মোহনবীণা), গ্র্যামি-মনোনীত বিদুষী কালা রামনাথ (বেহালা), দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম গ্র্যামিবিজয়ী পদ্মভূষণ বিদ্বান ভিক্কু বিনায়করাম (ঘাটম), বিশিষ্ট ওডিশি নৃত্যশিল্পী সুজাতা মহাপাত্র, পাণ্ডিত বুধাদিত্য মুখার্জী (সেতার), পণ্ডিত কৈবল্যকুমার গুরভ (খেয়াল), সাসকিয়া রাও (চেলো) এবং কত্থক নৃত্যদল অদিতি মঙ্গলদাস ডান্স কোম্পানি প্রমুখ। এই শিল্পীসমাগম আলো করবেন বিদুষী পদ্মা তলওয়ালকার (খেয়াল),পণ্ডিত তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার (সরোদ), ড. মাইসোর মঞ্জুনাথ (বেহালা), পণ্ডিত রনু মজুমদার (বাঁশি), পণ্ডিত কুশল দাস (সেতার), পণ্ডিত দেবজ্যোতি বোস (সরোদ), রাকেশ চৌরাসিয়া (বাঁশি), পূর্বায়ণ চট্টোপাধ্যায় (সেতার), রাজরূপা চৌধুরী (সরোদ), আবীর হোসেন (সরোদ) প্রমুখ। আয়োজনের মধ্যমণি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন পণ্ডিত শিবকুমার শর্মা, পণ্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়া, পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তী, ওস্তাদ রাশিদ খান, পণ্ডিত উল্লাস কশলকার, ওস্তাদ শাহিদ পারভেজ খান প্রমুখ। তবলায় সংগত করবেন পণ্ডিত অভিজিৎ ব্যানার্জি, পণ্ডিত শুভঙ্কর ব্যানার্জি, পণ্ডিত যোগেশ সামসি প্রমুখ। বিদেশি শিল্পীরা ছাড়াও বাংলাদেশের পাঁচজন প্রতিভাবান নবীন নৃত্যশিল্পী সুইটি দাশ, অমিত চৌধুরী, শান্তা শাহরিন, সুদেষ্ণা শ্যামাপ্রভা ও মেহরাজ হক তুষারসহ সরকারি সংগীত মহাবিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীবৃন্দ, পরম্পরা সংগীতালয়ের ছাত্রছাত্রীবৃন্দ (দলীয় সেতার, তবলা ও সরোদবাদন; সুপ্রিয়া দাসের খেয়াল; অভিজিৎ কুণ্ড ধ্রুপদ) এবং স্বনামধন্য শিল্পী ফিরোজ খান (সেতার) ও গাজী আবদুল হাকিম (বাঁশি) এবারের উৎসবে অংশগ্রহণ করবেন।

উদ্বোধন

আগামী মঙ্গলবার ২৬ ডিসেম্বর ধানমন্ডি আবাহনী মাঠে অনুষ্ঠিত বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসবের ষষ্ঠ অধিবেশনে উদ্বোধন-পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পাঁচ দিনব্যাপী উৎসবের উদ্বোধন ঘোষণা করবেন মাননীয় অর্থমন্ত্রী জনাব আবুল মাল আব্দুল মুহিত, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব আসাদুজ্জামান নূর, এমপি, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের মান্যবর হাইকমিশনার মি. হর্ষবর্ধন শ্রীংলা, ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস, এমপি, আবাহনী লিমিটেডের সভাপতি সালমান এফ রহমান এবং স্কয়ার গ্রুপের পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী।

উৎসবপ্রাঙ্গণে প্রবেশ

১. আগামী ২৬ ডিসেম্বর মঙ্গলবার থেকে শনিবার ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা থেকে পরদিন ভোর ৫টা পর্যন্ত ধানমন্ডি আবাহনী মাঠে পাঁচ দিনব্যাপী বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসব অনুষ্ঠিত হবে।
২. প্রতিবারের মতো অনলাইনে নিবন্ধন করে উৎসবে বিনামূল্যে প্রবেশের পাশ সংগ্রহ করতে হবে। রেজিস্ট্রেশন শুরু হবে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি। সীমিত সময়ের জন্য অনলাইনে নিবন্ধন চলবে।
৩. অনুষ্ঠান সবার জন্য উন্মুক্ত তবে নিবন্ধন ছাড়া প্রবেশ সম্ভব নয়।
৪. যাদের হাতের কাছে ইন্টারনেট সংযোগ নেই তারা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ধানমন্ডিতে অবস্থিত জ্ঞানতাপস আব্দুুর রাজ্জাক বিদ্যাপীঠ (বাড়ি নং ৬০, সড়ক নং ৭/এ, ধানমন্ডি)-এ নিবন্ধন করতে পারবেন।
৫. অনুষ্ঠানস্থলে নিবন্ধন করা যাবে না।
৬. প্রতিদিন রাত ১২টায় গেট বন্ধ হয়ে যাবে। তবে ভেন্যুর ধারণক্ষমতা অতিক্রম করলে বা অন্য যে কোনো বিবেচনায় কর্তৃপক্ষ পূর্ব-ঘোষণা ছাড়াই রাত ১২টায় গেট বন্ধ করতে পারেন।
৭. সকলের স্বার্থে মাঠে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার থাকবে। এ-বিষয়ে সকলের সহযোগিতা একান্ত কাম্য। নিরাপত্তা যাচাইয়ের জন্য কিছুটা সময় প্রয়োজন। অপেক্ষমাণ মানুষের দীর্ঘ সারি এড়াতে পর্যাপ্ত সময় হাতে নিয়ে মাঠে উপস্থিত হওয়ার জন্য সবাইকে অনুরোধ করা হচ্ছে।
৮. মাঠে ব্যাগ নিয়ে ঢোকা যাবে না। মাঠে ব্যাগ রাখার কোনো ব্যবস্থা থাকবে না। ঢোকার সময় সব গেটে পূর্ণাঙ্গ নিরাপত্তা তল্লাশি/ সিকিউরিটি চেক হবে। প্রত্যেককে নিজের সঙ্গে কোনো প্রকার শনাক্তকরণ পরিচয়পত্র রাখার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। মাঠে কোনো ক্যামেরা (আয়োজকের নিবন্ধিত ও তালিকাভুক্ত ফটো সাংবাদিক ব্যতীত), খাবার, কোনো প্রকার পানীয় বা ধূমপানের সরঞ্জাম নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না।
৯. মাঠে একাধিকবার প্রবেশ ও প্রস্থান করা যাবে না।
১০. বারো বছরের কম বয়সী শিশুদের সঙ্গে আনা যাবে না।
১১. আবাহনী মাঠে গাড়ি পার্কিংয়ের কোনো ব্যবস্থা নেই।
১২. নীতিমালা অনুযায়ী প্রেস এবং মিডিয়ার জন্য সংবাদ সংগ্রহের সব রকম সুবিধা থাকবে।
১৩. খবরাখবরের জন্য দেখুন-
www.bengalclassicalmusicfest.com
www.facebook.com/bfmusicfest
www.twitter.com/bfmusicfest
www.instagram.com/bfmusicfest

বেঙ্গল ফাউন্ডেশন আয়োজিত বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসব ২০১৭-এর নিবেদক হিসেবে স্কয়ার গ্রুপ এবং আয়োজন সমর্থনকারী হিসেবে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড আমাদের সঙ্গে আছে। আরো আছে সম্প্রোচার সহযোগী চ্যানেল আই, মেডিক্যাল পার্টনার স্কয়ার হাসপাতাল, ইভেন্ট ব্যবস্থাপক ব্লুজ কমিউনিকেশনস এবং আয়োজন সহযোগী ইনডেক্স গ্রুপ, বেঙ্গল ডিজিটাল, বেঙ্গল বই ও বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়। সার্বিক সহযোগিতায় পারফেক্ট হারমনি, সিঙ্গাপুর।

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধু

বিগত পাঁচ বছর আপনাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এবং সরকারের সহযোগিতায় উৎসব আয়োজনের স্বপ্নটি বাস্তব রূপলাভ করে। আমরা মনে করি ২০১২ সালে উৎসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে হারানো ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের সংকল্পে যে-যাত্রা সূচিত হয়েছিল তা বহমান থাকবে সংগীতপিপাসু জনমানুষের কল্পনায় ও চিত্তে এবং ভবিষ্যতে তা সার্থকতা লাভ করবে আমাদের তরুণ প্রজন্মের সাংগীতিক বোধ, মেধা ও প্রজ্ঞার মধ্য দিয়ে।
আমাদের বিশ্বাস, শিল্প-সংস্কৃতি চর্চাই মানুষকে নৈরাজ্য থেকে দূরে রাখে। এই পথচলায় আপনারা সঙ্গী হবেন, এমনটাই প্রত্যাশা। আপনাদের সহযোগিতা পেলে এই উদ্যোগ আবারো সফল হবে।

লুভা নাহিদ চৌধুরী
বেঙ্গল ফাউন্ডেশন
www.bengalfoundation.org
www.bengalclassicalmusicfest.com

মিডিয়া ব্যবস্থাপনা
রেজওয়ানুল কামাল
+৮৮০ ১৮৪৪০৫০৬২৪
rezwanul.kamal@bengalfoundation.org

মিডিয়া ব্যবস্থাপনা
হাসানুজ্জামান ভুঁইয়া (হাসিব)
+৮৮০ ১৮৪৪০৫০৬২১
m.hasanuzzaman@bengalpublications.com