Menu

আমরা বাংলাদেশের ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁর পরম্পরাকে ধারণ করি

thumbnail

বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসঙ্গীত উত্সব বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। একটা সাংস্কৃতিক ক্ষেত্র হিসেবে বিশ্বের কাছে উদাহরণ হয়ে উঠেছে। বিশ্বে যেখানেই উচ্চাঙ্গসঙ্গীতের আসর বসছে সেখানেই বাংলাদেশের আসরকে মডেল হিসেবে নেওয়া হচ্ছে।

গতকাল সকালে হোটেল সোনারগাঁওয়ে ভারতের সঙ্গীত জগতের তিন দিকপাল রনু মজুমদার, রাকেশ চৌরাসিয়া ও পূর্বায়ণ চ্যাটার্জি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনায় এসব কথা বলেন। গতকাল রাতে আবাহনী মাঠে শুরু হওয়া ৫ দিনের বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসঙ্গীত উত্সবে সঙ্গীত পরিবেশন করেন এই ৩ শিল্পী।

তারা বলেন, ‘আমরা ৩ জনই মাইহার ঘরানার অনুসারী। সেই সূত্রে আমরা সবাই বাংলাদেশের ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ সাহেবের পরম্পরাকে ধারণ করি। আমরা তারই সুরের পূজারি।’

বাঁশির দিকপাল রনু মজুমদার বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষের যে ভালোবাসা আমরা পেয়েছি এটা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করি। আমার পূর্বপুরুষ বাংলাদেশের। জন্ম বেনারসে হলেও বাবার কাছে ভাটিয়ালি শিখেছি। আব্বাসউদ্দীনের গান আমাদের এই বাংলার সুর শিখিয়েছে।’ শিল্পীদের নিয়ে যুগলবন্দি বাজানোর ক্ষেত্রে স্বনামধন্য এ শিল্পী বলেন, ‘যুগলবন্দি বাজানো হচ্ছে একজন শিল্পী অপরজনকে বুঝবেন। যদিও অনেক সময় দর্শকরা এটাকে প্রতিযোগিতা মনে করেন।’

রাকেশ চৌরাসিয়া হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়ার ভাইয়ের ছেলে। তিনি বলেন, ‘বাবুজির (হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়া) সান্নিধ্য আমার জন্য সবচেয়ে বড় পাওয়া। তার গুণের যদি ১ শতাংশ আমি পেয়ে থাকি সেটাই আমার জন্য বিশাল পাওয়া। বাঁশি শেখার সময় বিদেশি শিক্ষার্থীরা তার ধুন রেকর্ড করতেন। তিনি কিছু বলতেন না। কিন্তু আমাকে রেকর্ড করতে দিতেন না। বলতেন, আমি যেটা বাজাচ্ছি সেটা তো হয়ে গেল, তুমি এমনকিছু বাজাও যেটা কখনও হয়নি। সুরকে উপলব্ধি করে বাজাও। সেটা নতুন কিছুর জন্ম দেবে।’ সেতারে এ সময়ে স্বনামধন্য শিল্পী পূর্বায়ণ চ্যাটার্জি বলেন, ‘সুর হচ্ছে বর্তমানকে উপলব্ধি করা। স্টেজে ওঠার আগে কোনোকিছু ঠিক করে উঠি না। যেটা মন বলে সেটাই বাজাই।’

 

View Full Article