Menu

বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসবের চতুর্থ দিন

যুগপৎ অনলাইন ডেস্কঃ বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসবের চতুর্থ দিনের আয়োজনের শুরুতেই মুনমুনআহমেদ ও তাঁর দল ‘রেওয়াজ’ দলীয় কত্থক নৃত্য পরিবেশন করেন। এরপর মুনমুনআহমেদ ও তাঁর দল ‘ভিন্ন ষড়জে’ গুরুবন্দনার মধ্য দিয়ে শুরু করেন পরিবেশনা।সর্বশেষ তারা তিন অংশে ত্রিতালে কত্থক পরিবেশন করেন। পরিবেশনা শেষে শিল্পীদেরহাতে উৎসবের স্মারক তুলে দেন প্রাইভেটাইজেশন কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ইনামআহমদ চৌধুরী।

পরবর্তী পরিবেশনা ছিল নীলেশ রণদেবের। তিনি তবলায় তিনতাল বাজিয়ে মুগ্ধকরেন দর্শকদের। হারমোনিয়াম সহযোগিতায় ছিলেন মিলিন্দ কুলকার্নি। যুগলবন্দিতবলায় দর্শকদের মাতানপণ্ডিত যোগেশ শামসি ও পণ্ডিত শুভঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়। তারাতিনতাল পরিবেশন করেন। হারমোনিয়ামে ছিলেন অজয় যোগলেকার।পরিবেশনা শেষেশিল্পীদের হাতে উৎসব স্মারক তুলে দেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইসমত আরাসাদিক।

thumbnail

চতুর্থ দিনের আয়োজনে যুগলবন্দিতে কর্ণাটকি কণ্ঠ সংগীত পরিবেশন করেন রঞ্জনী ওগায়ত্রী। তাঁরা একে একে গেয়ে শোনান নাটাই- স্বরস্বতি,ত্যাগরাজের কম্পোজিশনে রাগপন্তুবরালি,তামিল কম্পোজিশনে রাগ মুখারি এবং রাগখাম্বাজ ও আদিতালাম। শিল্পীভগ্নিদ্বয়তাদের পরিবেশন শেষ করেন বিটোভাচালা (রাগমালা) দিয়ে।

এরপর সরোদ পরিবেশনা নিয়ে মঞ্চে আসেন পণ্ডিত তেজেন্দ্র নারায়ণ মজুমদার। প্রথমেরাগ গুঞ্জিকানাড়া দিয়ে শুরু করেন তিনি। পরে একে একে বাজিয়ে শোনান আলাপজোড় ঝালা ও বিলম্বিত তিন তালে গৎ। শেষে রাগ যোগিয়া কালিংগ্রা বাজিয়ে শেষকরেন পরিবেশনা। চতুর্থ দিনের সর্বশেষ পরিবেশনা ছিল পণ্ডিত অজয় চক্রবর্তীরখেয়াল। তিনি রাগ বিলাসখনি তরী ও কুন্তল বাড়ালি পরিবেশন করেন। সবশেষে রাগভৈরবীতে ভজন পরিবেশন করে শেষ করেন তাঁর পরিবেশনা। পরিবেশনা শেষেশিল্পীকে উৎসব স্মারক প্রদান করেন বেঙ্গল ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান জনাব আবুলখায়ের।

২৮ নভেম্বর কিংবা পঞ্চম ও শেষ দিনের আয়োজন শুরু হবে সন্ধ্যা ৭টায়। যাদের পরিবেশনা থাকছে তারা হলেন- সংগীতবিভাগ, ঢাকাবিশ্ববিদ্যলয় (দলীয় কণ্ঠসংগীত), বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ (দলীয় সেতার), পণ্ডিত শিবকুমার শর্মা (সন্তুর), কুমার মারদুর (খেয়াল), পণ্ডিত কুশলদাস (সেতার), আরতীআঙ্কালিকর (খেয়াল) এবংপণ্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়া (বাঁশি)।

গত চার বছর ধরে আয়োজিত ‘বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসব’ শিল্পী ও দর্শকেরঅংশগ্রহণের নিরিখে এরই মধ্যে এই উপমহাদেশে তথা বিশ্বে র্সবাধিক বড় পরসিরেউচ্চাঙ্গসংগীতের আসর হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। এ বছর উৎসবটি উৎর্সগ করা হয়েছেসব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হকের স্মৃতির উদ্দেশ্যে।

View Full Article