Menu

চৌরাসিয়ার বাঁশির সুরে শেষ হলো ক্লাসিক্যাল ফেস্ট

thumbnail

কাগজ বিনোদন প্রতিবেদক: সাগরে জোয়ার এলে যেমন ঢেউগুলো ছাড়িয়ে যেতে চায় কূল, ঠিক তেমনি পণ্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়ার বাঁশির সুরের জোয়ারে উপচে উঠেছিল আর্মি স্টেডিয়াম।

গতকাল স্টেডিয়াম ভর্তি দর্শকের অপেক্ষার পালা শেষ হলো ৩টা ৪৫ মিনিটে। মঞ্চে উঠে এলেন সেই যাদুকর, পণ্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়া।

মঞ্চে বসেই জানান তার ভালো লাগার কথা। বলেন, ‘এতো দর্শকের সামনে গান করা অন্য রকম আনন্দের, আজ আমি একেবারেই নতুন একটি সুর বাজাব।’

এরপর সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি আঙুল রাখেন প্রিয় বাঁশিতে। আর্মি স্টেডিয়ামের গ্যালারি ও মঞ্চের সামনের চেয়ারের একটিও ফাঁকা নেই। এমনকি খোলা আকাশের নিচে শিশিরে ভেজা মাঠেই শেষ রাতে বসেছিলেন মনোযোগী শ্রোতারা।

বাঁশিতে রাগ প্রভাতী ও রাগ জৈৎ বাজিয়ে শোনান চৌরাশিয়া। তারপর ফোক ধুন বাজিয়ে শেষ করেন তার পরিবেশনা। প্রতি বছরের মতো পণ্ডিত চৌরাসিয়ার বাঁশির সুরের মুগ্ধতা নিয়ে পরের বছরের অপেক্ষায় আর্মি স্টেডিয়াম ছেড়েছেন দর্শক-শ্রোতারা।

thumbnail

গতকাল সোমাবার সন্ধ্যা ৭টায় উৎসবের সমাপনী দিনের অনুষ্ঠান শুরু হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের শিল্পীদের দলীয় কণ্ঠসংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে। এরপর দলীয় সেতার বাজিয়ে শুনিয়েছেন বেঙ্গল পরম্পরা সংগীতালয়ের শিক্ষার্থীরা।

এরপর ছিল সমাপনী অনুষ্ঠান। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন, ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারপারসন স্যার ফজলে হাসান আবেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান।

সমাপনী অনুষ্ঠান শেষে শুরু হয় অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্ব। এ পর্যায়ে সন্তুরের মোহনীয় সুরে মাতান অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ পণ্ডিত শিব কুমার শর্মা। এরপর খেয়াল পরিবেশন করেন কুমার মারদুর। এ ছাড়া সেতার বাজিয়ে শোনান পণ্ডিত কুশল দাস। খেয়াল পরিবেশন করেন আরতী অঙ্কালিকার।

এভাবেই শেষ হয়েছে উচ্চাঙ্গ সংগীতের এই মহাযজ্ঞ। এ বছর উৎসবটি উৎর্সগ করা হয়েছিল সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হককে। আয়োজকেরা জানিয়েছেন সবকিছু অনুকূলে থাকলে আগামী বছর নির্ধারিত সময়ে বসবে বেঙ্গল মিউজিক ফেস্টের ষষ্ঠ আসর।

View Full Article