Menu

নৃত্যে শুরু ও খেয়ালে ভোর

thumbnail

‘নৃত্য চিরন্তন : মনিপুরি, ভরতনাট্যম, কত্থক নৃত্যার্ঘ’ শীর্ষক দুই পর্বের নৃত্য পরিবেশনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় চতুর্থ দিনের আয়োজন। এ পরিবেশনার নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন গুরু বিপিন সিংহ, পন্ডিত বিরজু মহারাজ, শিবলী মহম্মদ; এবং নৃত্য ভাবনা, সার্বিক নৃত্য পরিচালনা ও সমন্বয়কারী হিসেবে ছিলেন শর্মিলা বন্দ্যোপাধ্যায়। মনিপুরি নৃত্যে তাল-তানচেপ-৪ মাত্রায় রাধা রূপ বর্ণন করেন সুদেষ্ণা স্বয়ম্প্রভা; নৃত্য ও সংগীত পরিচালনায় ছিলেন গুরু বিপিন সিংহ, কণ্ঠে গুরু কলাবতী দেবী। এরপর তাল-সপ্ততাল ২০ মাত্রায় কালীয় দমন পরিবেশন করেন সুইটি দাস; নৃত্য ও সংগীত পরিচালনা করেন বিপিন সিংহ, কণ্ঠে ছিলেন দ্রৌপদি দেবী। মনিপুরি নৃত্যের সর্বশেষ অংশের পরিবেশনায় ছিলেন শিব স্তূতি। নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন বিম্বাবতী দেবী, সংগীত পরিচালনায় গুরু লাকপতি সিং

এবং কণ্ঠে দ্রৌপদি দেবী।

ভারতনাট্যম অংশে কীর্তি রামগোপালের নৃত্য পরিচালনায় ও ডি এন শ্রীভাৎসার সংগীত পরিচালনায়, বৃন্দাবনী রাগ ও আদি তালে সূরিয়া কথুরাম পরিবেশন করেন অমিত চৌধুরী। শিব স্তূতি পরিবেশন করেন জুয়েইরিয়াহ মৌলি। নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন কীর্তি রামগোপাল, সংগীত পরিচালনায় রামা সুব্রামানিয়াম শর্মা। শিব স্তূতির পর কীর্তি রামগোপালের নৃত্য পরিচালনায় ও শ্রী পদ্মচরণের সংগীত পরিচালনায় এবং পূর্বী কল্যাণী রাগে ও আদি তালমে শিবকৃত্তি পরিবেশন করেন অমিত চৌধুরী। কত্থক নৃত্যের শুরুতে তিনতালে গুরু বন্দনা করেন মেহরাজ হক তুষার। এরপর শুদ্ধ নৃত্য পরিবেশন করেন স্নাতা শাহরিন। এ কত্থক নৃত্যের সংগীত ও নৃত্য পরিচালনায় ছিলেন শিবলী মহম্মদ।

শর্মিলা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নৃত্য পরিচালনা ও রাহুল চ্যাটার্জির সংগীত পরিচালনায় শুরু হয় দ্বিতীয় পর্ব। এ পর্বে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানে মনিপুরি, ভরতনাট্যম ও কত্থক সম্মিলনে নটরাজের প্রতি নৃত্যের মালিকা নিবেদন করা হয়। গানে কণ্ঠ দিয়েছেন মহুয়া মঞ্জুরী সুনন্দা, সুকান্ত চক্রবর্তী ও অভিজিৎ মজুমদার। পুরো নৃত্য পরিবেশনাটির ভাবনা, সার্বিক পরিচালনা ও সমন্বয়কারী ছিলেন শর্মিলা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর মঞ্চ আলোকিত করেন উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ ওস্তাদ রাশিদ খান। প্রবাদপ্রতিম এই শিল্পী পুরিয়া রাগে খেয়াল পরিবেশন করেন। এ সময় তার সঙ্গে কণ্ঠ সহযোগী ছিলেন নাগনাথ আদগাঁওকার, তবলায় সঙ্গত করেন পন্ডিত শুভঙ্কর ব্যানার্জি, হারমোনিয়ামে ছিলেন অজয় যোগলেকর এবং সারেঙ্গিতে ছিলেন ওস্তাদ

সাবির খান।

খেয়াল শেষে ছিল সরোদ এবং বেহালার যুগলবন্দি। পন্ডিত তেজেন্দ্রনারায়ণ মজুমদার এবং ড. মাইশুর মঞ্জুনাথ একসঙ্গে পরিবেশন করেন রাগ সিমেন্দ্রমধ্যম। তবলায় সঙ্গত করেন পন্ডিত যোগেশ শামসি এবং মৃদঙ্গমে ছিলেন অর্জুন কুমার। এরপর খেয়াল পরিবেশনা নিয়ে মঞ্চে আসেন পন্ডিত যশরাজ। খেয়াল শেষে প্রথমবারের মতো বেঙ্গল উচ্চাঙ্গসংগীত উৎসবে চেলোর পরিবেশনা নিয়ে মঞ্চে আসেন সাসকিয়া রাও দ্য-হাস। এরপর তিনি ‘ফুলে ফুলে ঢলে ঢলে’ ও ‘যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে’Ñএই দুটি রবীন্দ্র সংগীত পরিবেশন করেন।

উৎসবের চতুর্থ দিনের শেষ পরিবেশনা ছিল ইমদাদখানি ঘরানার শিল্পী পন্ডিত বুধাদিত্য মুখার্জির সেতার। তিনি রাগ ললিত বিস্তার গৎ ঝালা পরিবেশন করেন। তাকে তবলায় সংগত করেন সৌমেন নন্দী।

 

View Full Article